অপ্রিয় শীতের শুভেচ্ছা সবাইকে…...

চলেন পিঠা বানাই, কি পিঠা জানেন চিতই পিঠা. চিতই পিঠা নিয়ে অনেক গল্প আছে. ছোটবেলায় যখন আমি স্কুলে পড়তাম .আমার দাদা বেঁচে ছিল আমার দাদা বাসায় পিঠা বানাইলে খুব খুশি হত.আমার দাদা পিঠা খেতে খুব পছন্দ করত তাই আমাদের বাসায় পিঠে বানানোর ধুম লেগেই থাকতো. যেদিন চিতই পিঠা বানাইত আমিও খুব পছন্দ করতাম মাংস দিয়ে খাব তাই. আমার দাদা একটা পিঠা নিত আমাকে বলতো হাত পাত আমি যেই হাত দিতাম তখন গরম পিঠাটা রেখে আমার হাতে ফু দিত. তখন পিঠারোই গরম ভাবটা আমার হাতের তালুই লেগে যায় তো কান্না করতাম. দাদা তখন আমাকে বলতো কোথায়? ঠান্ডা পিঠেই তো দিলাম পিঠে তো হাতের তালুতে রেখেই ঠান্ডা করতে হয় কি বোকা কান্না করিস না. পুরানো স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে ওঠে যখনই এই পিঠা খেতে যায়. এখন আর বাসায় সেরকম ঘটা করে পিঠে খাওয়া হয় না কারণ আমরা শীতকাল ছাড়া বাসায় খুব কমই পিঠে বানানো হয় .বাসায় আজকে চিতই পিঠা বানিয়েছিল তাই ভাবলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করি.

এই পিঠা সবারই পরিচিত এই পিঠাটা তৈরি করতে আমার যা যা লেগেছে. সেগুলো হচ্ছে… চালের গুড়ি, লবণ, হালকা কুসুম গরম পানি. চালের গুড়ির সঙ্গে হালকা কুসুম গরম পানি এবং লবণ দিয়ে ব্যাটারটা ঘন করে মিলিয়ে তিরিশ মিনিট রাখতে হবে রেস্টে. চুলাতে পিঠার সাজ বসিয়ে গরম গরম ভেজে নিতে হবে চিতই পিঠা. এই শীতের মধ্যে বিছানায় আরাম করে বসে থাকা একটু মধুর, গরম যার সাথে এই পিঠাটা খেতে আরো ভালো লাগে যদি মায়ের বানানো হয়. পিঠা তো শীতের একটি অতি জনপ্রিয় আর মধুর খাবার. শীতের এই সময়ে এগুলো খেতে আরও বেশি মজা লাগে. চিতই পিঠার মুচমুচে ভাব থাকে নিজের অংশটায় মাঝখানে থাকে নরম অংশটা আমার কাছে গরুর মাংস অথবা মুরগির মাংস ঝোল দিয়ে খেতে মজা লাগে. আর পিঠার মুচমুচে অংশ দুধ চায়ের সাথে খেতে অনেক মজা.

কিছু কিছু জায়গায় চিতই পিঠা রাস্তার পাশে বিক্রি করে বিভিন্ন রকমের ভর্তা দিয়ে. আবার কিছু জায়গায় দেখেছি হাঁসের মাংস দিয়েও বিক্রি করে আসলে বাহিরের পিঠার থেকে ঘরে তৈরি করা পিঠা খেতে আমার কাছে বেশি মজা লাগে. মাংসের স্বাদ আর পিঠার নরম ভাব মিলিয়ে এক চমৎকার কম্বিনেশন তৈরি হয় বাসায় মায়ের হাতের পিঠেতে. মা যতদিন বেঁচে আছে আবদার গুলো তার কাছে. মা ছাড়া আসলে কারো কাছে আবদার করা যায় না. মাকে বলতে দেরি মা পিঠা বানাতে দেরি করেনি. শুধু যে শুকনা পিঠা বানিয়েছে এমন না দুধে ভিজিয়েছে এই পিঠাটা. খুবই সুস্বাদু হয় দুধে ভিজাইলে এই পিঠাটা. গুড় দিয়ে দুধ জ্বাল করে তার মধ্যে গরম গরম বানানোর পিঠে ছেড়ে দিলেই হয়ে যায় দুধ চিতই. আশা করব আপনাদের কাছে আমার আজকের কন্টেন্ট ভালো লেগেছে ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই আমার পাশে থাকবেন. আপনার আমার পাশে থাকবেন. আজ আসি আবার দেখা হবে অন্য কোন কনফেন্টের সাথে কতক্ষণ সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন প্রচন্ড ঠান্ডা তাই বাচ্চাদের দিকে এবং নিজের দিকে খেয়াল রাখতে হবে . আমরা একে অপরের পাশে থাকবো যাতে করে পার্সোনাল মানুষটা কষ্ট হয় আপনার আচরণে.